হোমফিচারবিএনপির ১৮০ দিনঃ প্রতিশ্রুতির কতটা মাটিতে, কতটা এখনো কাগজে?

বিএনপির ১৮০ দিনঃ প্রতিশ্রুতির কতটা মাটিতে, কতটা এখনো কাগজে?

প্রকাশ

তারিখ

বিভাগ

নির্বাচনের আগে প্রতিশ্রুতি দেওয়া বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন কিছু নয়; ক্ষমতায় গিয়ে সেই প্রতিশ্রুতির ভাষা বদলে ফেলা, সময়সীমা দীর্ঘ করা কিংবা প্রকল্পের উদ্বোধনকেই সাফল্য হিসেবে প্রচার করাও পুরোনো অভ্যাস। বিএনপি ২০২৫ সালের ৪ জুন ক্ষমতায় গেলে প্রথম ১৮০ দিনে কী করবে তার একটি কর্মপরিকল্পনা প্রকাশ করে অন্তত জনগণের হাতে নিজেদের মূল্যায়নের একটি মাপকাঠি তুলে দিয়েছিল। সেই ১৮০ দিন এখন শেষ। ফলে সরকার কতটি অনুষ্ঠান করেছে, কতটি কার্ড ছাপিয়েছে কিংবা কতটি প্রকল্প ঘোষণা করেছে, সেটি প্রধান প্রশ্ন নয়। প্রশ্ন হলো—মানুষের জীবনে প্রতিশ্রুত পরিবর্তন কতটা এসেছে। এই মানদণ্ডে হিসাব করলে বিএনপি সরকারকে সহজে পাস নম্বর দেওয়ার সুযোগ খুব কম।

ফ্যামিলি কার্ডকে সরকার তার প্রথম ছয় মাসের বড় অর্জন হিসেবে তুলে ধরছে। কিন্তু প্রকল্পটির ভেতরে ঢুকলে সাফল্যের চেয়ে ব্যয়, তথ্যের পুনরাবৃত্তি, দলীয় প্রভাব ও উপকারভোগী নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্নই বেশি দেখা যায়। আগে শত শত কোটি টাকা খরচ করে তৈরি জাতীয় খানা তথ্যভান্ডার কার্যকরভাবে ব্যবহার না করেই আবার নতুন তথ্য সংগ্রহে বিপুল অর্থ ব্যয় করা হচ্ছে।

ফ্যামিলি কার্ড তৈরি ও তথ্য সংগ্রহে প্রায় ১ হাজার ৯০৬ কোটি টাকা ব্যয়ের পরিকল্পনা রয়েছে; এর মধ্যে মাঠপর্যায়ের তথ্য সংগ্রহ, তথ্য প্রক্রিয়াকরণ, প্রশিক্ষণ ও সম্মানীতেই শত শত কোটি টাকা। একই সঙ্গে বিভিন্ন জেলায় তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগে দলীয় প্রভাব, স্বজনপ্রীতি ও তদবিরের অভিযোগ এসেছে। কোথাও বিএনপি নেতার পরিবারের সদস্যদের নিয়োগ, কোথাও নেতাদের চাপ, কোথাও পরীক্ষা ছাড়াই নিয়োগের অভিযোগ সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। পটুয়াখালীর দশমিনায় এক বিএনপি নেতাকে প্রকাশ্যে বলতে শোনা গেছে, “যারা বিএনপিকে মানবে না, তারা ফ্যামিলি কার্ড পাবে না।” আবার কোথাও কার্ড দেওয়ার নামে দরিদ্র মানুষের কাছ থেকে টাকা দাবির অভিযোগও উঠেছে। ফলে এই কর্মসূচিকে এখনই সাফল্য বলা কঠিন; বরং একটি রাষ্ট্রীয় সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি দলীয় পৃষ্ঠপোষকতার ব্যবস্থায় পরিণত হওয়ার আশঙ্কাই বড় হয়ে উঠছে।

এখানে একটি বিষয় পরিষ্কার রাখা দরকার। দরিদ্র মানুষের জন্য সামাজিক সহায়তা নিজে কোনো খারাপ অর্থনৈতিক নীতি নয়। কিন্তু একই উদ্দেশ্যে বারবার তথ্যভান্ডার তৈরি, বিপুল প্রশাসনিক ব্যয়, দলীয় প্রভাব এবং দুর্বল উপকারভোগী নির্বাচন একটি ভালো কর্মসূচিকেও অপচয় ও দুর্নীতির উৎসে পরিণত করতে পারে। বাংলাদেশের মতো পুঁজি ও কর্মসংস্থানের ঘাটতিপূর্ণ দেশে সামাজিক সুরক্ষা প্রয়োজন, কিন্তু সেটি যেন রাজনৈতিক আনুগত্য বণ্টনের যন্ত্র না হয়—এটাই আসল পরীক্ষা।

কৃষক কার্ড নিয়েও একই সতর্কতা প্রয়োজন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছ থেকে প্রথম কৃষক কার্ড পাওয়া ব্যক্তিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘ভুয়া কৃষক’ হিসেবে প্রমাণতি হয়েছিল। প্রকৃত প্রশ্ন হলো—কৃষক কার্ডের উদ্দেশ্য কি শুধু হাতে একটি কার্ড তুলে দেওয়া, নাকি কৃষকের পূর্ণাঙ্গ তথ্যভান্ডার, ন্যায্যমূল্যে ফসল কেনা, সংরক্ষণব্যবস্থা এবং কৃষি সহায়তা নিশ্চিত করা? ছয় মাস শেষে এই বৃহত্তর ব্যবস্থাগুলোর অনেকটাই এখনো অসম্পূর্ণ।

আর কৃষকের জন্য কার্ডের চেয়ে জরুরি হলো সময়মতো সার পাওয়া। সেই জায়গায় সরকারের ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা স্পষ্ট। কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে সার না পেয়ে ক্ষুব্ধ কৃষকেরা ডিলারের গুদাম ভেঙে সার নিয়ে যাওয়ার ঘটনা সরকারের কৃষি ব্যবস্থাপনার জন্য ভয়াবহ সতর্কসংকেত। দেশের আরও বিভিন্ন এলাকায় সার ঘাটতি, নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি মূল্য এবং কালোবাজারের অভিযোগ এসেছে। সরকার বৈশ্বিক বাজার, আমদানি সংকট ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির ব্যাখ্যা দিতে পারে, কিন্তু কৃষকের কাছে শেষ কথা হলো—সার সে পেয়েছে কি না। গুদামের হিসাব দিয়ে মাঠের সংকট ঢাকা যায় না।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানির অবস্থাও উদ্বেগজনক। সরকার ক্ষমতায় এসে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। অথচ আগস্টে জাতীয় গ্রিডে কয়েক হাজার মেগাওয়াট ঘাটতি দেখা গেছে; বিভিন্ন গ্রামীণ এলাকায় দীর্ঘ সময় লোডশেডিং হয়েছে। গ্যাসের সংকটে শিল্প উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সরকারের বিনিয়োগ কর্তৃপক্ষের শীর্ষ কর্মকর্তাও স্বীকার করেছেন, বিনিয়োগের বড় বাধাগুলোর একটি এখন জ্বালানি সংকট। আন্তর্জাতিক বাজার, অবকাঠামোগত দুর্বলতা ও অতীত সরকারের রেখে যাওয়া সমস্যার দায় বর্তমান সরকারের একার নয়, কিন্তু সংকট সামাল দিতে না পারার দায় বর্তমান সরকার এড়াতে পারে না।

কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি আরও স্পষ্ট। বিএনপি বলেছিল, ক্ষমতায় গেলে প্রথম ১৮ মাসে এক কোটি কর্মসংস্থান বা চাকরির ব্যবস্থা করবে। এখন সেই সময়ের এক-তৃতীয়াংশ পার হয়ে গেছে। অর্থনীতি সরল অঙ্কে চলে না, তাই ছয় মাসে ৩৩ লাখ চাকরি না হওয়া মানেই ব্যর্থতা—এ কথা বলা ঠিক হবে না। কিন্তু সরকারের কাছে একটি সহজ হিসাব থাকা উচিত: প্রথম ছয় মাসে মোট কত নতুন কর্মসংস্থান হয়েছে, কোন খাতে হয়েছে, দেশে কত, বিদেশে কত, স্থায়ী কত, অস্থায়ী কত? এই তথ্য জনগণের সামনে নেই। বরং সরকারের নতুন পাঁচ বছরের পরিকল্পনায় আবার প্রায় এক কোটি কর্মসংস্থানের লক্ষ্য দেখা যাচ্ছে। ফলে প্রশ্ন উঠছে—১৮ মাসে এক কোটি চাকরি এবং পাঁচ বছরে এক কোটি চাকরি কি দুটি আলাদা লক্ষ্য, নাকি একই প্রতিশ্রুতির সময়সীমা নিঃশব্দে দীর্ঘ করা হচ্ছে?

তবে প্রথম ১৮০ দিনের সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা আইনশৃঙ্খলায়। বিএনপি বিরোধী দলে থাকতে বারবার বলেছিল, নির্বাচিত সরকার না থাকায় আইনশৃঙ্খলার অবনতি হচ্ছে; জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার এলে পরিস্থিতি বদলাবে। এখন সেই নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায়, প্রশাসন ও পুলিশ তার নিয়ন্ত্রণে। কিন্তু পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী বিএনপি সরকারের প্রথম ছয় মাসে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অপরাধের মোট মামলা অন্তর্বর্তী সরকারের আগের ছয় মাসের তুলনায় বেড়েছে। কিছু ক্ষেত্রে ডাকাতি, ছিনতাই, অপহরণ ও চুরির মামলা কমেছে, কিন্তু হত্যা, নারী ও শিশু নির্যাতন এবং পুলিশের ওপর হামলার মতো গুরুতর অপরাধে উন্নতি হয়নি; বরং কয়েকটি সূচক খারাপ হয়েছে। ফলে “নির্বাচিত সরকার এলেই দৃশ্যমান উন্নতি হবে”—এই রাজনৈতিক বক্তব্য প্রথম ১৮০ দিনের তথ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় না।

এখানে বিএনপির দায় আরও বড়, কারণ অন্তর্বর্তী সরকারের সময় আইনশৃঙ্খলার অবনতিতে তাদের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, দখল, আধিপত্য বিস্তার ও সহিংসতার বিপুল অভিযোগ ছিল। বিএনপি নিজেই হাজার হাজার নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছিল। কাজেই সব অভিযোগকে রাজনৈতিক অপপ্রচার বলে উড়িয়ে দেওয়ার সুযোগ নেই। তখন বিএনপি বলেছিল নির্বাচিত সরকার এলেই পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব হবে। এখন রাষ্ট্রের পুরো প্রশাসনিক ক্ষমতা হাতে থাকার পরও একই ধরনের অভিযোগ অব্যাহত থাকলে দায় অন্যের ওপর চাপানো কঠিন।

পটুয়াখালীর বাউফল ও রাঙ্গাবালীর সাম্প্রতিক দুটি অভিযোগ এই সমস্যার প্রতীক হয়ে উঠেছে। বাউফলের লালচরে সরকারি খাসজমিতে মহিষ চরাতে মহিষপ্রতি ২০০ টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সাবেক এক ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে। তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে এটিকে স্থানীয় সালিশের ক্ষতিপূরণের অর্থ বলেছেন। কিন্তু সরকারি খাসজমিতে মহিষের মাথাপিছু টাকা কোনো রাজনৈতিক কর্মীর হাতে কেন যাবে—প্রশ্নটি থেকেই যায়। অন্যদিকে রাঙ্গাবালীতে সরকারি অনুমতি নিয়ে মাছ ধরতে যাওয়া জেলেদের কাছ থেকে ছয় লাখ টাকা চাঁদা দাবি, মারধর ও হুমকির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে। অভিযোগ প্রমাণের আগে কাউকে অপরাধী বলা যায় না, কিন্তু ঘটনাগুলোর রাজনৈতিক তাৎপর্য অস্বীকার করা যায় না। মহিষকে ঘাস খাওয়ানো থেকে সাগরে মাছ ধরা—রাষ্ট্রের অনুমতির মাঝখানে যদি দলীয় ব্যক্তির অর্থনৈতিক কর্তৃত্ব দাঁড়িয়ে যায়, তাহলে এটি শুধু আইনশৃঙ্খলার নয়, রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্বের সংকট।

শেখ হাসিনার শাসনে চাঁদাবাজি, দখলবাজি, টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ ও রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতায় অপরাধ ছিল ভয়াবহ বাস্তবতা। তাই বর্তমান অবস্থার সমালোচনা করতে অতীতকে ধুয়ে-মুছে পরিষ্কার দেখানোর প্রয়োজন নেই। মানুষের প্রত্যাশা ছিল, গণঅভ্যুত্থানের পর এই সংস্কৃতির পরিবর্তন হবে। কিন্তু রাজনৈতিক ক্ষমতা বদলে যদি কেবল চাঁদার রসিদের নাম বদলায়, তাহলে সেটি সরকার পরিবর্তন; শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন নয়।

দ্রব্যমূল্যের ক্ষেত্রেও সরকারের দাবি ও বাস্তবতার মধ্যে ব্যবধান আছে। কয়েক মাস উচ্চ মূল্যস্ফীতির পর জুলাইয়ে কিছুটা স্বস্তি এসেছে—এটি সরকারের পক্ষে যায় এবং তা স্বীকার করা উচিত। কিন্তু সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় এখনো উচ্চ। খাদ্যের বাইরে অন্যান্য পণ্যের মূল্যস্ফীতিও উদ্বেগজনক। ফলে দ্রব্যমূল্যকে স্থায়ীভাবে সহনীয় করার প্রতিশ্রুতি এখনো পূর্ণ সাফল্যে পৌঁছেনি।

এই কারণেই সরকারের প্রথম ১৮০ দিনের মূল্যায়নে কয়েকটি বিচ্ছিন্ন প্রকল্প বা উদ্বোধন দেখে পাস নম্বর দেওয়া কঠিন। ফ্যামিলি কার্ড শুরু হয়েছে, কিন্তু তার চারপাশে ব্যয় ও দলীয় প্রভাবের অভিযোগ। কৃষক কার্ড দেওয়া হয়েছে, কিন্তু কৃষক সার না পেয়ে গুদাম ভাঙছেন। বিনিয়োগ আনার কথা বলা হচ্ছে, কিন্তু জ্বালানি সংকট শিল্পকে বাধাগ্রস্ত করছে। এক কোটি কর্মসংস্থানের ছয় মাস চলে গেছে, অথচ নতুন চাকরির স্বচ্ছ হিসাব নেই। নির্বাচিত সরকার এলেই আইনশৃঙ্খলা ফিরবে বলা হয়েছিল, কিন্তু সরকারি পরিসংখ্যান সেই দাবিকে সমর্থন করছে না।

তাই এখন প্রশ্নটি আর—সরকার কিছু করেছে কি না—এ নয়। অবশ্যই কিছু করেছে। প্রশ্ন হলো, মানুষের জীবন ও অর্থনীতিকে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করা চারটি ক্ষেত্রে—আইনশৃঙ্খলা, কর্মসংস্থান, বিদ্যুৎ-জ্বালানি এবং কৃষি উপকরণের সরবরাহে—প্রতিশ্রুত পরিবর্তন কোথায়?

সরকারের এখন বিজ্ঞাপন দিয়ে ১৮০ দিনের সাফল্য বোঝানোর সময় নয়; হিসাব দেওয়ার সময়। কত নতুন চাকরি হয়েছে, কত চাঁদাবাজকে বিচারের মুখোমুখি করা হয়েছে, রাজনৈতিক পরিচয়ের কত অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ফৌজদারি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের স্থিতিশীল সরবরাহ কবে ফিরবে, কৃষক ন্যায্যমূল্যে সার কখন পাবেন এবং ফ্যামিলি কার্ডের তালিকা কীভাবে দলীয় প্রভাবমুক্ত রাখা হবে—জনগণ এসব প্রশ্নের উত্তর পাওয়ার অধিকার রাখে।

ক্ষমতার পতাকা বদলানো সহজ। ক্ষমতার সংস্কৃতি বদলানোই আসল পরীক্ষা।

বিএনপির প্রথম ১৮০ দিনে কিছু প্রকল্প শুরু হয়েছে, কিছু প্রশাসনিক সিদ্ধান্তও এসেছে। কিন্তু প্রধান প্রতিশ্রুতিগুলোর বিচারে এই সরকারকে এখনই পাস বলা বাস্তবতার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। মানুষ সরকারি প্রতিবেদনে বিদ্যুৎ পায় না, প্রকল্পের উদ্বোধনে সার পায় না, কার্ডের ছবিতে চাকরি পায় না এবং জিরো টলারেন্সের ঘোষণায় চাঁদাবাজির হাত থেকে মুক্ত হয় না।

মানুষ ফল দেখে।

আর বিএনপি যেহেতু নিজেরাই সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল, সেই ফলাফলের হিসাব চাওয়ার অধিকারও জনগণের।

ক্যালেন্ডার কোনো দলের কর্মী নয়।

পূর্বের আর্টিক্যাল

সাম্প্রতিক পোস্ট