জুলাই শুরু হয়েছিল আরও অনেক আগে—আবাসিক হলের বন্ধ কক্ষের ভেতরে, নিখোঁজ ব্যক্তিদের পোস্টারে, অপেক্ষমাণ মায়েদের চোখে, নিয়ন্ত্রিত নির্বাচনে, নীরব সংবাদপত্রে, ফিসফিস করে বলা ফোনালাপে এবং সেই সাধারণ উপলব্ধিতে যে, আইনের সুরক্ষার ভেতর থেকেও একজন নাগরিক যেকোনো সময় উধাও হয়ে যেতে পারেন।
২০২৬ সালের এই সামুদ্রিক ট্র্যাজেডি—সমুদ্রে হারিয়ে যাওয়া ৫০০ প্রাণ—কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ নয়। এটি মানুষের তৈরি বিপর্যয়। এমন এক বিশ্বব্যবস্থার প্রত্যক্ষ ফল, যে ব্যবস্থা সংকটের সমাধান না করে সেটিকে সামলে রাখার কৌশল আয়ত্ত করেছে।
বাংলাদেশের রাষ্ট্রচিন্তা আজ এক গভীর দ্বিধাবিভক্ত বাস্তবতার মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে। একদিকে উন্নয়নের পরিসংখ্যান, অবকাঠামোর দৃশ্যমান অগ্রগতি, আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির ভাষ্য—অন্যদিকে নাগরিকের ভেতরে জমে থাকা এক অস্বস্তি, এক বঞ্চনার অনুভূতি, এক প্রতিনিধিত্বহীনতার দীর্ঘশ্বাস। মানুষ প্রশ্ন করতে শুরু করেছে: এই রাষ্ট্র কি সত্যিই তার? তার ভোট, তার নিরাপত্তা, তার সম্মান—এসব কি কেবল রাজনৈতিক বক্তৃতার উপকরণ, নাকি বাস্তব অধিকার? এই প্রশ্নের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আমরা বুঝতে পারি, বাংলাদেশের সংকট কেবল শাসনব্যবস্থার নয়—এটি রাষ্ট্রদর্শনের সংকট।...
নতুন গবেষণা আরও অস্বস্তিকর বাস্তবতার দিকে ইঙ্গিত করছে। একজন পুরুষ ৩০ বছর বয়সে কী করছেন, সেটিই সম্ভবত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নয়। বরং বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো—১৩ বছর বয়সে তিনি কাজের মূল্য, জীবনের উদ্দেশ্য এবং সমাজে নিজের অবস্থান সম্পর্কে কী শিখেছিলেন।
ইরানের বিরুদ্ধে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের চালানো যুদ্ধ শুধু একটি সামরিক সংঘাত ছিল না; এটি ছিল উপসাগরীয় অঞ্চলের বহু দশকের নিরাপত্তা-ধারণা, কূটনৈতিক ভারসাম্য এবং ক্ষমতার...
চীনের শক্তিশালী রাষ্ট্রযন্ত্র এগিয়ে চলেছে যেন গতিরোধক পেরোনো এক বৈদ্যুতিক গাড়ি—দ্রুত, দৃঢ়, ঝাঁকুনি সামলে। পরিবেশ যেন বিদ্যুতায়িত। ক্যান্টনিজ খাবারের জন্য বিখ্যাত এক ঐতিহাসিক রেস্তোরাঁয়...